কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১২ জুন, ২০১৯ এ ১০:২৩ AM
কন্টেন্ট: পাতা
উপজেলা ভূমি অফিস, ঝালকাঠি সদর এর প্রদত্ত সেবা সমূহ : (সিটিজেন চার্টার)
মিউটেশন (নাম জারী) জমা ভাগ ও জমা একত্রীকরণ সংক্রান্তনিয়মাবলী :
* মিউটেশনের জন্য সহকারী কমশিনার (ভূমি) বরাবরে দরখাস্ত দাখিল করতে হবে।
* মিউটেশনের আবেদনের সাথে নিম্ন বর্ণিত কাগজপত্র দাখিল করতে হবে:
v ক্রয় ক্ষেত্রে : ক্রয় ও প্রয়োজনীয় ভায়vদলিলের কপি।
v মৃত্যু ক্ষেত্রে : ওয়ারিশ সনদপত্র।
v সেবা বা দানের ক্ষেত্রে: হেবা দলিলের কপি।
v সকল রেকর্ড/ পর্চা/ খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি।
* মিউটেশন বাবদ খরচ:
1) আবেদন কোর্ট ফি = ১০.০০/- টাকা
2) নোটিশ জারী ফি = ২.০০/- টাকা।
3) রেকর্ড সংশোধন ফি = ২০০.০০/- টাকা।
৪) খতিয়ান ফি = ৪৩.০০/-
* কত দিনে মিউটেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে:
মালিকানা বিষয় কোন বিতর্ক না থাকলে আবেদন প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৪৫(পয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে কার্যক্রম সমাপ্ত করা হবে।
বি:দ্র:দরখাস্ত জমা দেয়ার দিন থেকে ৪৫ (পয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে মিউটেশন কেস নিস্পত্তি না হলে এবং উল্লেখিত খরচের অতিরক্তি ফি কেউ দাবী করলে সহকারী কমিশনার (ভূমি)/উপজেলা নির্বাহী অফিসার/ রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অথবা জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করবেন।
* কর্মকর্তার পদবী: ফোন নং ফ্যাক্স
1) জেলা প্রশাসক ৬৩৩০০ ০৪৯৮৬২৬৩৪
2) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ৬৩৩০৩ --
3)উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ৬৩৫৮১ --
4) রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর ৬৩৫৬৫ --
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ৬২৮৪০ ০৪৯৮৬২৮৪০
* উপজেলা ভূমি অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে মিউটেশন এর কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে।
মিউটেশন করার কারণ:
ক) জমি বিক্রয় বা অন্য কারনে হস্তান্তর করা হলে।
খ) ভূমি মালিকের মৃত্যুর পর জমির ওয়ারিশদের মধ্যে বন্টনের ক্ষেত্রে।
গ) জমির শ্রেণী পরিবর্তন হলে।
ঘ) সরকার কর্তৃক ভূমি বন্দোবস্ত হলে।
মিউটেশনের জন্য যা যা করণীয়:
ক) সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে দরখাস্ত করতে হবে।
খ) দরখাস্তের সাথে জমির হস্তান্তরিত দলিল এবং ভায়া দলিল দাখিল করতে হবে।
গ) ওয়ারিশ সার্টিফিকেটের কপি।
ঘ) প্রয়োজনে পূর্ব মালিকের মৃত্যু সনদ।
ঙ) পূর্ব খতিয়ানের কপি দাখিল করতে হবে।
চ) প্রয়োজনে জমির ফরায়েজ দাখিল করতে হবে।
ছ) প্রয়োজন ক্ষেত্রে আদালতের ডিক্রি/ রায় দাখিল করতে হবে।
q মিউটেশন ফি সমূহ:-
ক) দরখাসেত্মর সঙ্গে - ১০.০০/- টাকা।
খ) নোটিশ জারী ফি - ২.০০/- টাকা।
গ) রেকর্ড সংশোধন ফি/ পর্চা ফি - ২০০.০০/- টাকা।
৪) খতিয়ান ফি ৪৩.০০/-
মোট ২৫৫.০০/- টাকা।
q মিউটেশনের আবেদন নিস্পত্তির সময়সীমা:-
১. আবেদন প্রাপ্তির পর এগুলো রেজিষ্ট্রিভূক্ত করতঃ তদন্তের জন্য প্রেরণ ০৭ দিন
২. ইউনিয়ন ভূমি সহ:কর্মকর্তার নিকট হতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তি ১০ দিন
৩. পক্ষগনকে নোটিশ প্রদান ও শুনানি গ্রহন ১৫ দিন
৪. রেকর্ড/কাগজপত্র যাচাই ০৭ দিন
৫. সিদ্ধামত্ম/আদেশ প্রদান ০৩ দিন
৬. তামিল করণ ও রেকর্ড সংশোধন ০৩ দিন
মোট = ৪৫ দিন
অতিরিক্ত কোন অর্থ দাবী করা হলে বা অন্য কোন অভিযোগ থাকলে সরাসরি সহকারী কমিশনার (ভূমি)/ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
o কৃষি খাস জমি ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ কর হয়।
o কৃষি খাস জমি কারা পাবেন:
‘‘ যে পরিবারের বসত বাড়ী ও কৃষি জমি কিছুই নেই কিন্তু পরিবারটি কৃষি নির্ভর’’
v কৃষি খাস জমি প্রাপ্তিতে ভূমিহীন পরিবারের অগ্রাধিকার তালিকা:-
ক) দুস্থ: মুক্তিযোদ্ধা পরিবার।
খ) নদী ভাঙ্গা পরিবার (যার সকল জমি বিলীন হয়েছে)
গ) সক্ষম,পুত্র সহ বিধবা বা স্বামী পরিত্যাক্ত পরিবার।
ঘ) কৃষি জমিহীন ও বাসত্মভিটাহীন পরিবার।
ঙ) ঋণ গ্রহনের ফলে ভূমিহীন হয়ে পড়েছে এমন পরিবার।
চ) ১০ শতাংশ বসত বাড়ী আছে কিন্তু কৃষি যোগ্য জমি নেই এরূপ কৃষি নির্ভর পরিবার।
q কি করতে হবে:-
ক) উপজেলা ভূমি অফিস হতে নির্ধারিত দরখাস্ত ফরম গ্রহন করতে হবে।
খ) দরখাস্তটি ঠিকমত পূরণ করে ছবিসহ সহকারী কমিশনার (ভূমি),উপজেলা ভূমি অফিস এর বরাবর দাখিল করতে হবে।
গ) আবেদনের সাথে চেয়াম্যানের নিকট হতে নাগরিক সনদ দাখিল করতে হবে।
q খাস জমি বন্দোবস্ত পদ্ধতি:-
Ø ভূমিহীনদের দরখাসত্ম গ্রহন।
Ø তদমত্ম সাপেক্ষে বাছা্ই ও স্বাক্ষাৎকার গ্রহন।
Ø তালিকা প্রনয়ন।
Ø উপজেলা কমিটিতে পেশ।
Ø পূনরায় অগ্রাধিকার তালিকা তৈরী।
Ø কেস নথি সৃজন।
Ø ভূমিহীনদের মধ্যে জমির পস্নট বরাদ্দ।
Ø জেলা প্রশাসকের নিকট বন্দোবসত্ম প্রসত্মাব প্রেরণ।
Ø জেলা প্রশাসকের অনুমোদন।
Ø কাবুলিয়ত সম্পাদন ও দলিল রেজিষ্ট্রি করন।
Ø নাম জারী করণ।
উলেস্নখ্য এ বন্দোবসত্ম কার্যক্রম সম্পন্ন হতে ২-৩ মাস সময় প্রয়োজন হতে পারে। কোন অভিযোগ থাকলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবং জেলা প্রশাসককে সরাসরি জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
q ভুমি উন্নয়ন কর প্রদান পদ্ধতিঃ
১. প্রতি বাংলা বছরের জন্য নির্ধারিত ভুমি উন্নয়ন কর ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
২. একসাথে এক বছরের ভুমি উন্নয়ন কর প্রদান করা যায়।
৩. ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার কাছে জমির রেকর্ডপত্র দেখিয়ে ভূমি উন্নয়ন করের পরিমান নির্ধারণপূর্বক টাকা জমা দিয়ে সমপরিমাণ টাকার দাখিলা সংগ্রহ করতে হয়।
৪. কোন কারণে ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া থাকলে তা সুদসহ পরিশোধ করতে হয়।
৫. ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান কারীর নিজ নামে সংশ্লিষ্ট জমি নাম জারী করা থাকলে এক দিনেই ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করা যায়। পক্ষে অন্য কেউ এ ধরণের কর পরিশোধ করতে পারবেন।
৬. ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানকারীর (যদি তিনি ক্রয় বা অন্য সূত্রে মালিক হন) নামে সংশিস্নষ্ট জমি নাম জারী করানো থাকলে পূর্ব মালিক সর্বশেষ রেকর্ডীয় মালিকের নামেই ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা যাবে।
৭. অতিরিক্ত ফি কেউ দাবী করলে বা কোন অভিযোগ থাকলে সরাসরি সহকারী কমিশনার (ভূমি)। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অথবা জেলা প্রশাসককে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।